April 19, 2026, 6:40 pm

বাঘায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন করার অভিযোগে ৩ যুবককে আটক করেছে পুলিশ

মোঃজিল্লুর রহমান খান রিপন বাঘা রাজশাহী প্রতিনিধি ঃরাজশাহীর বাঘায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন করার অভিযোগে ৩ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার দিবাগত রাতে নিজ-নিজ বাড়ী থেকে তাদের আটক করা করা হয়।

তবে প্রধান আসামী আলামিন (২৬) পলাতক।

অভিযোগে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় ঐ স্কুল ছাত্রীকে মোবাইল করে ডেকে আনে উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় মানিক হোসেনের ছেলে প্রেমিক আলামিন।

অভিযোগে জানা যায়, বিয়ের প্লোভোন দিয়ে আলামিন এর আগে ও তার সাথে দৈহিক মেলা-মেশা করেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (১২-জুন) সন্ধ্যার পর সে ঐ ছাত্রীকে মোবাইল করে বাঘায় ডেকে নেয়। তার তিন বন্ধুর কাছে প্রেমিকাকে রেখে পরে আসছি বলে চলে যাই ।

এদিকে আলামিন ঘটনা স্থল থেকে চলে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। পরে ওই ৩ জন বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পেছনে নিয়ে যায় এবং রাতভর গণধর্ষন করে। পরে এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী বাদী হয়ে চার জনকে অভিযুক্ত করে বাঘা থানায় একটি ধর্ষন মামলা দয়ের করেন। মামলা নং- ১৬।

এ ঘটনায় বাঘা থানা পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের নিজ নিজ বাড়ী থেকে আটক করে।আটককৃতরা হলো-ধৃত আসামী উত্তর মিলিক বাঘা এলাকার এমদাদের ছেলে তারেক (২৫) এক এলাকার ছাদেকের ছেলে নাসিরুদ্দিন (২৩) এবং মিলিক বাজুবাঘা নতুন পাড়া এলাকার মহসিনের ছেলে সবুজ আলী (১৪)। তবে মামলার প্রধান আসামি পালাতক রয়েছে।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। অপর একজন পলাতক রয়েছে। আসামীদের সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা